নিহাও! চায়না - চায়না মেডিকেল ট্যুরিজম প্রচার ইভেন্ট ঢাকায় সফলভাবে অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
০৪ জানুয়ারী, ২০২৫
নিহাও! চায়না - চায়না মেডিকেল ট্যুরিজম প্রচার ইভেন্ট ঢাকায় সফলভাবে অনুষ্ঠিত
নিহাও! চায়না - চায়না মেডিকেল ট্যুরিজম প্রচার ইভেন্ট ঢাকায় সফলভাবে অনুষ্ঠিত
শেয়ার

ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪:
নি হাও! চায়না - চায়না মেডিকেল ট্যুরিজম প্রচার ইভেন্ট সফলভাবে ঢাকার আসকট প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইভেন্টটি বাংলাদেশের রোগীদের জন্য চীনের উন্নত চিকিৎসা সুবিধার সুযোগ তুলে ধরেছে। এটি বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড চাইনিজ সেন্টার (BRCC), বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন খান মো. নুরুল আমিন, অতিরিক্ত সচিব ( ঔষধ প্রশাসন অনুবিভাগ)। চীনের দূতাবাসের প্রতিনিধিত্ব করেন কালচারাল কাউন্সিলর মি. লি শাওপেং, যিনি স্বাস্থ্যখাতে অংশীদারিত্ব জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মি. এ.এফ.এম. আমিনুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং চীনের কুনমিং-এ বাংলাদেশের প্রাক্তন কনস্যুল জেনারেল; প্রফেসর ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, সোসাইটি অফ সার্জন্স অফ বাংলাদেশ এর  সভাপতি; মি. আবদুস সালাম আরেফ, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (ATAB) চেয়ারম্যান; এবং প্রফেসর জু সেনলিন (এম.ডি. এবং পিএইচ.ডি.), গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজি বিশেষজ্ঞ,ফার্স্ট এফ্লিয়টেড হাসপাতাল, সান ইয়াত-সেন ইউনিভার্সিটি, গুয়াংজু,  চীন।

ইভেন্টে ২০০-র বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ, চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক, বাংলাদেশি মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানির প্রতিনিধি এবং অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ইভেন্টের সূচনা হয় ড. মারুফ মোল্লাহ, বেল্ট অ্যান্ড রোড চাইনিজ সেন্টারের পরিচালক, এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে। তিনি চীনের মেডিকেল ট্যুরিজম খাতের উন্নতি ও সম্ভাবনার উপর আলোকপাত করেন।

আলোচনায় লি শাওপেং, চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধান অতিথি খান মো. নুরুল আমিন চীনের সাথে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে ইঞ্জি. শেখ কোরবান আলী, বিআরসিসি চেয়ারম্যান, এর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের দুই দেশের সম্পর্ক উন্নত করতে তাদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এই ইভেন্টটি বাংলাদেশি রোগীদের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবার বিকল্প উন্মুক্ত করার পাশাপাশি চিকিৎসা ও শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার পথ তৈরি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।

মতামত